Friday, August 17, 2018

দিশারী কাব্য-৩

রঙিন পৃথিবী
জাহিদুল ইসলাম
[উদ্ভিদ বিদ্যা, ৩য় বর্ষ, রাঙ্গামাটি সরকারি কলেজ]

ঝিলমিল সাজে তারার সাথীরা
ডেকেছে আলোর মেলা,
এসো চাঁদ, এসো জোনাকীর ঝাঁক
করি সবাই আজ খেলা।

দিশারী কাব্য-২

দেখা হবে
মো. রেজাউল হক মানিক
[প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত), সোনারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়]

দেখা হবে বন্ধু বৈশাখের কোনো  কালবৈশাখী ঝড়ের তোড়ে।
দেখা হবে জৈষ্ঠের কোনো বিকেলে রোদ মেঘের আড়াল হলে।
দেখা হবে বন্ধু আষাঢ়ের মেঘের গর্জনে ভয়ে কাতর নিথর দেহে।
দেখা হবে শ্রাবণের অঝোর ধারায় ঝর ঝর বারির স্রোতে।

দিশারী কাব্য-১


বৃষ্টির সৃষ্টি
মেহেদী হাসান পলাশ
[চেয়ারম্যান, সিএইচটি রিসার্চ ফাউন্ডেশন]

কাল ছিল মেঘ ভাঙা রোদ
আজ হলো বৃষ্টি
কাল ছিল বীজ রোপা দিন
আজ হলো সৃষ্টি।

আমাদের শৈশব



মো. আনিছুর রহমান (রতন):
আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির এ যুগে সবাই বিভিন্ন আধুনিক ডিভাইস ও অনলাইন নিয়ে ব্যস্ত। সব কিছুই এখন কৃত্রিমতায় ভরপুর। শিক্ষিত পরিবারের শিশুরা তো সারাদিনই ব্যস্ত থাকে লেখাপড়া নিয়ে। বন্ধের দিন যে সময়টুকু থাকে বিনোদনের জন্য তাও কাজে লাগান অভিভাবকরা। কখনও নাচের ক্লাস, কখনও গানের ক্লাস, কখনও চিত্রাঙ্কন ইত্যাদি। তাই আজকের শিশুরা প্রকৃতি দেখার সুযোগ পায় খুবই কম। অথচ দেড় যুগ আগেও আমাদের শৈশব কেটেছে ভিন্নভাবে। তখন ঘরে ঘরে টিভি, স্মার্ট ফোন, ল্যাপটপ, গেমস ডিভাইস ছিল না। আমাদের সকাল হতো পাখির ডাক শুনে, সারাদিন কাটত প্রকৃতির সাথে। বৃষ্টিতে ভিজে, রোদে শুকিয়ে এবং খেলাধুলা করে সন্ধ্যা নামতো আমাদের। 

তারুণ্যের পেশা ফ্রিল্যান্সিং


মো. নাসির উদ্দিন:
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারার রাসেল আহমেদ এসএসসি পাস করেন ২০০৪ সালে। আর এইচএসসি ২০০৭ সালে। ২০০৬ সালে পরীক্ষা দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি পারেননি শুধু টাকার অভাবে। কম্পিউটার শেখার ইচ্ছা ছিল প্রবল, কিন্তু টাকা দেওয়ার সামর্থ্য ছিল না। তাই কম্পিউটার শিক্ষার বিনিময়ে দোকানের কাজকর্ম করে দেওয়ার চাকরি নেন রাসেল। দোকানের কাজকর্ম করার ফাঁকে ফাঁকে সেখানেই ওয়েবসাইট তৈরি করা শিখেন, কম্পিউটার প্রোগ্রামিং আয়ত্ত করেন।

শিক্ষার্থীদের সঞ্চয়


মো. হান্নান শাহ্:
বাংলাদেশের এক-দশমাংশ পার্বত্য চট্টগ্রাম। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের প্রাণকেন্দ্র রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান। এ অঞ্চলাধীন রাঙ্গামাটি জেলার অন্তর্গত লংগদু উপজেলায় বিভিন্ন জনগোষ্ঠির মানুষ বসবাস করে। এখানকার পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠিসমূহের মানুষ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হয়। কেউ বন্য হাতির আক্রমণে হতাহত হয়। আবার কেউ অনেক কষ্টে করা ফসল বন্য হাতির আক্রমণ থেকে জীবন রক্ষার তাগিদে ছেড়ে দিয়ে আসতে বাধ্য হয়। এছাড়াও এখানে প্রাকৃতিক ও মনুষ্য সৃষ্ট নানা সমস্যা বিদ্যমান।

বেকারত্ব দূরীকরণে প্রাণি সম্পদ


ছামাদুল হক:
প্রাণি সম্পদের গুরুত্ব আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে অপরসীম। দুধ, মাংস ও ডিম উৎপাদন ছাড়াও আত্মকর্ম সংস্থানসৃষ্টিসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে প্রাণি সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশের মোট কর্মশক্তির শতকরা ২৫ ভাগ জনগোষ্ঠি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগি পালন করে থাকে।

পরিশ্রমের বিকল্প নেই



তৌহিদুল রেজা:
জীবনে যেকোনো সফলতার জন্য চাই পর্যাপ্ত সুযোগ এবং তা কাজে লাগানোর যোগ্যতা। সুযোগ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রেই মেধার পরিচয় দিতে হয়। তাই মেধা যাই থাকুক না কেন, আগে প্রয়োজন সুযোগ, কেবল সুযোগের অভাবেই অসংখ্য মেধাবীকে জীবনে বৈষয়িকভাবে ব্যর্থ হতে দেখি। লংগদুর মতো প্রান্তিক অঞ্চলে আমরা যারা বেড়ে উঠেছি তারা খুব ভালো করেই বুঝতে পারি সুযোগ এখানে কত অপ্রতুল; আর তা কাজে লাগানোই বা কত কঠিন।

Wednesday, August 15, 2018

সংগঠনের দ্বিতীয় স্থায়ী কমিটি

বাঁ থেকে সৈয়দ ইবনে রহমত, আবুল কালাম আজাদ, মাসুদ রানা ও ফারুক হোসেন 
নোটিশ বোর্ড: ২০১৭ সালের ৫ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় গুলশাখালী চৌমুহনী বাজারের উত্তর পার্শ্বে অবস্থিত প্রত্যাশা কোচিং হাউজে ‘ফরমার স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব গুলশাখালী’র এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

Thursday, August 9, 2018

ঘুরে এলাম বাংলার দার্জিলিং



মো. ফারুক হোসেন::
ঔপন্যাসিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যয় বলেছিলেন, আমাকে যদি পাহাড় ও নদীর মধ্য একটিকে বেছে নিতে বলে তবে আামি পাহাড়কেই বেছে নিব। বাংলাদেশের সর্বত্র নদী ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকলেও পার্বত্য চট্টগ্রাম ব্যতীত পাহাড় খুব বেশি দেখা যায় না। তাই স¦ভাবতই এ দেশের মানুষের পাহাড়ের প্রতি আকর্ষণটা বেশি। আমার জন্ম পাহাড়ে, তবুও মন ভরে পাহাড় দেখার স্বাদ কখনোই কমেনি। যখনই সুযোগ পেয়েছি ছুটে গিয়েছি পাহাড়ের সৌন্দর্য্য দেখতে। পাহাড়ের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য্য ও আঁকা-বাকা পথ আমার মনে এক ধরনের শিহরণ জাগায়। বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় একটি পর্যটন কেন্দ্র হলো সাজেক ভ্যালি। যেখানে মেঘ আর রৌদ্রের লুকোচুরি খেলা খুব কাছ থেকে দেখা যায়।