দেখা হবে
মো. রেজাউল হক মানিক
[প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত), সোনারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়]
দেখা হবে বন্ধু বৈশাখের কোনো কালবৈশাখী ঝড়ের তোড়ে।
দেখা হবে জৈষ্ঠের কোনো বিকেলে রোদ মেঘের আড়াল হলে।
দেখা হবে বন্ধু আষাঢ়ের মেঘের গর্জনে ভয়ে কাতর নিথর দেহে।
দেখা হবে শ্রাবণের অঝোর ধারায় ঝর ঝর বারির স্রোতে।
দেখা হবে বন্ধু ভাদ্রের অথৈজলে ভেসে আসা কোনো কচুরিপানার সাথে।
দেখা হবে আশ্বিনের আকাশে ভেসে বেড়ানো কোনো এক চিলতে মেঘের আড়ালে।
দেখা হবে কার্তিকের আধাপাকা ধান ক্ষেতের কোনো এক মাঠে।
দেখা হবে বন্ধু অগ্রহায়ণের নতুন ধানের গন্ধে ভরা কোনো কৃষকের উঠানে।
দেখা হবে পৌষের শিশির ভেজা সকালে কোনো এক চায়ের দোকানে।
দেখা হবে মাঘের রাতে চাদরমুরি দিয়ে কোনো এক পালাগানের আসরে।
দেখা হবে ফালগুনের কোকিল ডাকা কোনো এক দুপুরে।
দেখা হবে বন্ধু চৈত্রে কাঠফাটা রোদে তৃষ্ণার্ত দেহে কোনো এক বটবৃক্ষ তলে।
আর যদি দেখা নাহয় তবে ভেবে নিও, আমি জেগে আছি দূর আকাশের সন্ধ্যা তারা হয়ে।
নূপুর
ফজলুল হক
[প্রভাষক, গুলশাখালী বর্ডার গার্ড মডেল কলেজ]
কোনো কিছু থেমে নেই, থামেনি কখনো।
বইছে নদীর স্রোতে ভিনদেশি তরী
পাহাড় অটল দেখো দাঁড়িয়ে এখনো।
তুমি কেন হয়ে আছো রাতের প্রহরী?
খুঁজেনি পূজার ফুল কোনো দুর্জনে
বেনারসি শাড়িতে মুছে ছিলে জল।
হারানো উচিত ছিল চন্দন বনে।
বাতাস উড়িয়ে নিত তোমার আঁচল।
বলেছিলে কিছু, ভুলে যাব সব গ্লানি
আর কোনো ঋণ নেই, সব ফেলে দূরে।
কোনো কিছু থেমে নেই, কখনো থামেনি
রাত্রিকে বাঁধো আজ নতুন নূপুরে।
একাত্তরের স্বপ্ন
নাজমুল হক
[প্রভাষক, গুলশাখালী বর্ডার গার্ড মডেল কলেজ]
জন্ম হলো নতুন বাংলাদেশের
শুরু যারা একক পথে
গেয়ে গান সোনার বাংলা
উঠল নতুন জোয়ার
লাল সূর্যের আভার,
সবুজ বাংলার তরীতে
উনিশ বাংলার তরীতে
উনিশ শত একাত্তরে;
আজ আমরা স্বাধীন জাতি
জ্বালাবো প্রদীপ বাতি
থাকবে আলোর ঝলকানি
মুখরিত হবে দেশ জাতি
বিশ্বের মাঝে উন্নীত হবে শির।
কিন্তু আজ প্রদীপ শিখা
মনে হয় নিভু নিভু।
মাত্র কয়েক বছরের কথা
ভুলে গেছি একতার ভাষা।
একাত্তরে ধরেছি অস্ত্র
গেয়েছি বিদ্রোহের গান
যতক্ষণ ছিল গায়ে
রক্ত মাংস প্রাণ,
আবার গেয়ে উঠি সেই গান
একসাথে লড়বো দেশকে গড়বো
থাকবো স্বাধীন জাতি
সোনার বাংলাদেশে,
লাল সবুজের পতাকাতলে।
হাহাকার
মো. রহমত আলী
[সহকারী শিক্ষক, গুলশাখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়]
তেরই জুন দু’হাজার সতেরো সাল
চারদিকে হাহাকার
নর-নারী, পাহাড়ি-বাঙালি
কান্নার ধ্বনিতে সবই একাকার
কোথায় যাব আমরা, পার্বত্যবাসী?
নিয়তির দেওয়া ভারি বর্ষণ
কেড়ে নিল কতই না ধন-রতন
আহা! কতই না হাহাকার,
নদীতে নেই মাছ, মাঠে নেই ধান,
পাহাড়ে নেই কাঠ-বাঁশ;
অর্থের খুঁজে যদিও যাই শহর
ঠাঁই হয় পাহাড়ের গুহায়
সহসা ধসে পাহাড়, দেয় জীবন্ত কবর।
আমি মুসলিম বলেই
মো. শাহ্জাহান অর্ণব
[সহকারী শিক্ষক, সীমান্ত প্রহরী আদর্শ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়]
বলুনতো, আপনি কে?
কেন? আমি একজন মানুষ।
যথার্থই বলেছেন।
আচ্ছা আপনার ‘রব’ কে?
অবশ্যই আল্লাহ!
আলহামদুলিল্লাহ।
আল্লাহ আপনাকে আমাকে কেন সৃষ্টি করেছেন?
একমাত্র তারই ইবাদত করতে।
আপনি কিসের অনুসরণ করবেন?
আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা আল-কোরআন,
রাসুল (সা.) এর হাদিস।
আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন।
আপনার ভালো-মন্দের ভরসা কার প্রতি?
অবশ্যই এর মালিক মহান আল্লাহ!
জীবনের সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ কি?
আল্লাহর আদেশ- পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ!
আপনি কোন কাজকে বেশি ভয় করেন?
পরিণাম যার চিরস্থায়ী জাহান্নাম
‘শিরক্’! তাকেই।
আমাদের কর্মের হিসাব কে নিবেন?
যিনি আসমান এবং জমিনের মালিক।
ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ,
আল্লাহ আপনাকে দান করুন।
মো. রেজাউল হক মানিক
[প্রধান শিক্ষক(ভারপ্রাপ্ত), সোনারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়]
দেখা হবে বন্ধু বৈশাখের কোনো কালবৈশাখী ঝড়ের তোড়ে।
দেখা হবে জৈষ্ঠের কোনো বিকেলে রোদ মেঘের আড়াল হলে।
দেখা হবে বন্ধু আষাঢ়ের মেঘের গর্জনে ভয়ে কাতর নিথর দেহে।
দেখা হবে শ্রাবণের অঝোর ধারায় ঝর ঝর বারির স্রোতে।
দেখা হবে বন্ধু ভাদ্রের অথৈজলে ভেসে আসা কোনো কচুরিপানার সাথে।
দেখা হবে আশ্বিনের আকাশে ভেসে বেড়ানো কোনো এক চিলতে মেঘের আড়ালে।
দেখা হবে কার্তিকের আধাপাকা ধান ক্ষেতের কোনো এক মাঠে।
দেখা হবে বন্ধু অগ্রহায়ণের নতুন ধানের গন্ধে ভরা কোনো কৃষকের উঠানে।
দেখা হবে পৌষের শিশির ভেজা সকালে কোনো এক চায়ের দোকানে।
দেখা হবে মাঘের রাতে চাদরমুরি দিয়ে কোনো এক পালাগানের আসরে।
দেখা হবে ফালগুনের কোকিল ডাকা কোনো এক দুপুরে।
দেখা হবে বন্ধু চৈত্রে কাঠফাটা রোদে তৃষ্ণার্ত দেহে কোনো এক বটবৃক্ষ তলে।
আর যদি দেখা নাহয় তবে ভেবে নিও, আমি জেগে আছি দূর আকাশের সন্ধ্যা তারা হয়ে।
নূপুর
ফজলুল হক
[প্রভাষক, গুলশাখালী বর্ডার গার্ড মডেল কলেজ]
কোনো কিছু থেমে নেই, থামেনি কখনো।
বইছে নদীর স্রোতে ভিনদেশি তরী
পাহাড় অটল দেখো দাঁড়িয়ে এখনো।
তুমি কেন হয়ে আছো রাতের প্রহরী?
খুঁজেনি পূজার ফুল কোনো দুর্জনে
বেনারসি শাড়িতে মুছে ছিলে জল।
হারানো উচিত ছিল চন্দন বনে।
বাতাস উড়িয়ে নিত তোমার আঁচল।
বলেছিলে কিছু, ভুলে যাব সব গ্লানি
আর কোনো ঋণ নেই, সব ফেলে দূরে।
কোনো কিছু থেমে নেই, কখনো থামেনি
রাত্রিকে বাঁধো আজ নতুন নূপুরে।
একাত্তরের স্বপ্ন
নাজমুল হক
[প্রভাষক, গুলশাখালী বর্ডার গার্ড মডেল কলেজ]
জন্ম হলো নতুন বাংলাদেশের
শুরু যারা একক পথে
গেয়ে গান সোনার বাংলা
উঠল নতুন জোয়ার
লাল সূর্যের আভার,
সবুজ বাংলার তরীতে
উনিশ বাংলার তরীতে
উনিশ শত একাত্তরে;
আজ আমরা স্বাধীন জাতি
জ্বালাবো প্রদীপ বাতি
থাকবে আলোর ঝলকানি
মুখরিত হবে দেশ জাতি
বিশ্বের মাঝে উন্নীত হবে শির।
কিন্তু আজ প্রদীপ শিখা
মনে হয় নিভু নিভু।
মাত্র কয়েক বছরের কথা
ভুলে গেছি একতার ভাষা।
একাত্তরে ধরেছি অস্ত্র
গেয়েছি বিদ্রোহের গান
যতক্ষণ ছিল গায়ে
রক্ত মাংস প্রাণ,
আবার গেয়ে উঠি সেই গান
একসাথে লড়বো দেশকে গড়বো
থাকবো স্বাধীন জাতি
সোনার বাংলাদেশে,
লাল সবুজের পতাকাতলে।
হাহাকার
মো. রহমত আলী
[সহকারী শিক্ষক, গুলশাখালী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়]
তেরই জুন দু’হাজার সতেরো সাল
চারদিকে হাহাকার
নর-নারী, পাহাড়ি-বাঙালি
কান্নার ধ্বনিতে সবই একাকার
কোথায় যাব আমরা, পার্বত্যবাসী?
নিয়তির দেওয়া ভারি বর্ষণ
কেড়ে নিল কতই না ধন-রতন
আহা! কতই না হাহাকার,
নদীতে নেই মাছ, মাঠে নেই ধান,
পাহাড়ে নেই কাঠ-বাঁশ;
অর্থের খুঁজে যদিও যাই শহর
ঠাঁই হয় পাহাড়ের গুহায়
সহসা ধসে পাহাড়, দেয় জীবন্ত কবর।
আমি মুসলিম বলেই
মো. শাহ্জাহান অর্ণব
[সহকারী শিক্ষক, সীমান্ত প্রহরী আদর্শ নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়]
বলুনতো, আপনি কে?
কেন? আমি একজন মানুষ।
যথার্থই বলেছেন।
আচ্ছা আপনার ‘রব’ কে?
অবশ্যই আল্লাহ!
আলহামদুলিল্লাহ।
আল্লাহ আপনাকে আমাকে কেন সৃষ্টি করেছেন?
একমাত্র তারই ইবাদত করতে।
আপনি কিসের অনুসরণ করবেন?
আল্লাহর পক্ষ থেকে আসা আল-কোরআন,
রাসুল (সা.) এর হাদিস।
আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন।
আপনার ভালো-মন্দের ভরসা কার প্রতি?
অবশ্যই এর মালিক মহান আল্লাহ!
জীবনের সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ কি?
আল্লাহর আদেশ- পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ!
আপনি কোন কাজকে বেশি ভয় করেন?
পরিণাম যার চিরস্থায়ী জাহান্নাম
‘শিরক্’! তাকেই।
আমাদের কর্মের হিসাব কে নিবেন?
যিনি আসমান এবং জমিনের মালিক।
ইহকাল ও পরকালের কল্যাণ,
আল্লাহ আপনাকে দান করুন।




No comments:
Post a Comment